ব্রেকিংঃ
Home / সকল খবর / মন্দির পরিচালনার নামে সম্পত্তি দেশের সম্পত্তি হাত করে নিচ্ছে ইসকন
মন্দির পরিচালনার নামে সম্পত্তি দেশের সম্পত্তি হাত করে নিচ্ছে ইসকন
মন্দির পরিচালনার নামে সম্পত্তি দেশের সম্পত্তি হাত করে নিচ্ছে ইসকন

মন্দির পরিচালনার নামে সম্পত্তি দেশের সম্পত্তি হাত করে নিচ্ছে ইসকন

মাতৃভূমি ডেস্ক : সনাতন ধর্মের প্রচার তথা ধর্ম ব্যবসার নামে মন্দিরে বসবাসরত ভাড়াটিয়াদের মারধর, নারী নির্যাতন, লুচ্চামি ও বিদ্যুৎ ও গ্যাস লাইন কেটে দেয়া শুরু করে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার-নিপীড়ন করছে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) নামের সংগঠনটি ।

রাজধানী ঢাকার ২২২ নং লালমোহন সাহা ষ্ট্রীট এর হোল্ডিং এ শ্রীশ্রী রাধাকান্ত, শ্রীশ্রী লক্ষ্মী জনার্দ্দন, শ্রীশ্রী লক্ষ্মী ঠাকুরাণী জিউ মন্দির এর শুধুমাত্র পরিচালনার চুক্তিতে দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে উক্ত সংগঠনকে, যাতে মন্দিরটি সুরক্ষিত থাকে এবং দৈনিক পূজা-অর্চনা করা হয়। মন্দিরে আনুমানিক ১০/১৫টি ভাড়াটিয়া ৭০/৮০ বৎসর যাবত বসবাস করে আসছে। কিন্তু ইস্কনকে পরিচালনার দায়িত্ব ভার দেওয়ার পরেই ইস্কন চাচ্ছে মন্দির থেকে ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদ করতে। এবং বিভিন্ন সময় ভাড়াটিয়াদের নানা ভাবে কষ্ট দিয়ে আসছে, যেমন গ্যাস লাইন কেটে দেয়া, বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেওয়া। মন্দিরের সম্পত্তি হইতে ভাড়াটিয়াদেরকে অন্যত্র  চলে  যাওয়ার জন্যও হুমকি-ধমকি দিয়ো আসছে।

আর জানা যায় মন্দিরের মহিলাদের দিকেও নাকি ইসকনের সাধু বৈষ্ণবরা কূদৃষ্টি দেয়। ইস্কনের একজন সাধু অমানী গৌর দাস ২০১৪ ইং সালে মন্দিরের ভাড়াটিয়া সুজন ঘোষ এর স্ত্রীর দিকে কূদৃষ্টি দেওয়ায় মন্দিরের ভাড়াটিয়াগণ এবং মহিলারা ঝাড়ু ও জুতা মেরে মন্দির থেকে বাহির করে দেয় তারপর ২২২ নং মন্দিরটিতে  তাকে আর দেখা যায় নাই।

জানা যায়, ইস্কন এর সাধুগণ এভাবেই মন্দিরের ভাড়াটিয়াদের মন্দির থেকে উচ্ছেদ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মন্দিরের ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে আসছে।

আজ ৩০শে নভেম্বর,  ২০১৬  ইং তারিখে দি নিউজ পত্রিকা অফিসে চিনু রাণী দাস তার ভাইকে নিয়ে এসে জানায় যে গত ২৮শে নভেম্বর সোমবার ইস্কনের ফুট ফর লাইফের পরিচালক এবং ২২২ নং মন্দিরের পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত রূপানুগ গৌর  দাস ব্রহ্মচারী তার সন্ত্রাসী বাহিনীর নেতা মিঠুন চৌধুরী (বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান আদিবাসী পার্টি)-কে নিয়ে ২২২ নং লাল মোহন সাহা স্ট্রীট, দক্ষিণ মৌশুন্ডী, থানা-ওয়ারী, ঢাকার শ্রীশ্রী রাধাকান্ত, শ্রীশ্রী লক্ষ্মী জনার্দ্দন, শ্রীশ্রী লক্ষ্মী ঠাকুরাণী জিউ মন্দিরটিতে লাঠিসোটা নিয়ে ঢুকে এবং চিনু রাণী দাস (অবিবাহিত), পিতা-মৃত নরেন চন্দ্র দাস এর ঘরে ঢুকে অতর্কিতে ১৫/২০ জন হামলা চালায় ও চিনু রাণীকে মারধর করে তার মা, ভাইসহ রাত্র ১২টার দিকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচরে বের করে দেয় এবং এত রাত্রে ঘর থেকে বের না করার জন্য চিনু রাণীর বৃদ্ধা অসুস্থ ‘মা’ করজোরে আপত্তি জানালেও কোন কাজ হয়নি তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মন্দির হতে বের করে দেয় এবং এই বলে হুমকি দেয় এই মন্দিরের ভিতরে যেন চিনু রাণী দাসরা আর যেন প্রবেশ না করে। সেই সাথে আরেকজন ভাড়াটিয়া সুজন ঘোষকেও বের করে দেয়।

ইস্কনের রূপানুগ গৌর  দাস ব্রহ্মচারীর নেতৃত্বে মিঠুন চৌধুরী (বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান আদিবাসী পার্টি) ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা আরো বলেন যে এই মন্দিরে কোন ভাড়াটিয়া থাকতে পারবে না। এবং সর্ব ভাড়াটিয়াদের দুই মাসের সময় নির্ধারিত করে দেন। দুই মাস পর যেন সকল ভাড়াটিয়াগণ মন্দির এর সম্পত্তি হইতে চলে যায়। নচেৎ এর ফল ভালো হবে না এবং মিঠুন চৌধুরী নাকি ভাড়াটিয়াদের উদ্দেশ্য করে  বলেছেন তোদের কোন বাপ আছে নিয়ে আসিস। উনিই নাকি সর্বেসর্বা।

মিঠুন চৌধুরীর (বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান আদিবাসী পার্টি) (বিএইচবিসিএপি) ভিজিটিং কার্ডে লিখা বিভেদ নয়, শান্তি চাই, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চাই। মিঠুন চৌধুরীর ভিজিটিং কার্ডে লিখা যে কথাগুলো বিভেদ নয়, শান্তি চাই, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চাই। এর কথা তিনি কি নিজে বুঝেন? আমার মনে হয় তিনি বুঝেন না। যদি বুঝে থাকতেন তবে কেন ইস্কনের হয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে একটা অসহায় পরিবারকে উচ্ছেদ করলেন, চিনু রাণী দাস এর বাবা নেই, অসহায় দুর্বল একটি মেয়ে তাদের ঘরে অতর্কিতে ১৫/২০ জন লোক নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং চিনু রাণী দাস সহ তার পরিবারবর্গকে টেনে-হিঁচড়ে উচ্ছেদ করে দেন কোন স্বার্থে? উনাকে কি ইস্কন কোন অর্থের লোভ দেখিয়েছেন কিনা বা ৬০ কোটির টাকার মন্দির সম্পত্তির লোভ দেখিয়েছেন কিনা সেটাই প্রশ্ন!

সে যাই হোক ধর্ম তো মানুষদের রক্ষার করার জন্য, মানব কল্যাণের জন্য। এভাবে অত্যচার করার জন্য কি ধর্ম?  মানুষ হয়ে মানুষদের কল্যাণের জন্য ধর্ম করা উচিত নয় কি?

চিনু রাণী দাস ও মন্দিরের আরো ভাড়াটিয়া যখন দি নিউজ পত্রিকা অফিসে আসে তখন এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতীর্ণ হয়। তারা কান্নাকাটি করে বলছে যে “আমরা যাব কোথায়” এই মন্দিরের সম্পত্তি আমাদের পরিবার ৭০/৮০ বৎসর যাবত বসবাস করে আসছি। এতদিন তো কেউ আমাদের তাড়াই নাই বা  আমাদের উচ্ছেদ করানোর জন্য লাটিসোঠা নিয়ে মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে নাই। এরা কেমন ধর্ম-কর্ম করে? এরা কারা? এরা কি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর মতো বিট্রিশ বাহিনী নাকি? না অন্য কোন মতলবে আমাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?

ইসকন আমাদের বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় মন্দির স্থাপন করছে এদেশের হিন্দুদের সাহায্য নিয়ে। ইসকন মন্দিরগুলোতে প্রসাদ টাকা দিয়ে বিক্রি করে, ওরা ভারতে ছাপানো ধর্মীয় বই বিক্রী করে, জপের মালা ও নানান ধরনের  বিগ্রহের পোষাক ও ক্যালেন্ডার ও পত্রিকা বিক্রী করে আসছে।

অনেক মানুষেরই মুখে শোনা যাচ্ছে ইস্কন ব্যবসায়ী। ইস্কন আমেরিকানপন্থী, ওরা এদেশে মানুষের কোন কাজে লাগছে কি? না কি বিনা যৌতুকে ইসকনের খরচে দু’চারটা মেয়ের বিবাহ দিচ্ছে? আমাদের বাংলাদেশের হিন্দু সমাজের কি কাজে আসছে?

ইস্কনের মন্দিরে যারা যাওয়া-আসা করে তাদের বলে মালা জপ করো, নিরামিষ খাও, কৃষ্ণভক্ত হও। আর যারা ইস্কন দীক্ষিত হতে যায় তাদের বলে দীক্ষিত হওয়ার আগে থেকে নিরামিষ খেতে হবে এবং দীক্ষিত হলে আর আমিষ খাওয়া যাবে না। এ পর্যন্ত বাংলাদেশের কয়েক হাজার হিন্দু ইস্কন থেকে দীক্ষিত হয়ে নিরামিষ খাচ্ছে; মাছ-মাংস বর্জন করেছে। সেদিকে দৃষ্টি দিয়ে দেখা গেল কোন পরিবার থেকে একজন ইস্কনের দীক্ষা নিল। পরবর্তীতে দেখা গেলো যে, সেই পরিবারে একজন ইস্কনের দীক্ষিত ভক্ত পুরো পরিবারকে ইস্কনের দীক্ষিত হতে বলে এবং মাছ, মাংস খেতে বারণ করে এবং নিরামিষ ভোজী হতে বলে। তাহাতে পুরো পরিবারে এই ইস্কন দীক্ষিতকে নিয়ে অশান্তিতে ভুগছে।

ইস্কনে মন্দিরগুলোতে গেলে দেখা যায় যে, একে-অপরকে প্রভু বলছে এবং দেখা যাচ্ছে অনেক লোকজন ভক্তি সহকারে শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন দেওয়ার জন্য ইস্কনের বড় বড় প্রভুদের নিকট হাজার হাজার/লক্ষ লক্ষ টাকা দিচ্ছে। এতে বুঝা যায় যারা টাকা দিচ্ছে তারা ইস্কনের পরম ভক্ত ও নারী হলে তো আর কথাই নাই। তাদেরকে আদর করে কাছে নিয়ে বসিয়ে বুঝায় এবং কঠিন ভক্ত তৈরী করে। সারা বাংলাদেশের এদের মন্দির পর্যন্ত কার্য্যকলাপ দেখা যাচ্ছে। মন্দির দিয়ে ব্যবসা করছে।

স্বামীবাগ ইসকন মন্দিরের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল খাবার হোটেল, কনফেকশারী, ঘটি, বাটি, থালাবাসনের দোকান, কাপড় ও  কাপড় সেলাইয়ের দোকান ও ভারতীয় প্রেসে ছাপা বই শ্রীমদ্ভগবদগীতা সহ ও বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থ  দেদারছে বিক্রি করছে। আর মন্দিরে বহু লোক জপের মালা নিয়ে কীর্ত্তন করছে আর কীর্ত্তন করছে।

সেই যাই হোক শ্রীশ্রী রাধাকান্ত, শ্রীশ্রী লক্ষ্মী জনার্দ্দন, শ্রীশ্রী লক্ষ্মী ঠাকুরাণী জিউ মন্দির এর পরিচালনার দায়িত্বভার ইস্কনকে দেওয়া হলো কেন? জানা গেছে উক্ত মন্দিরের সেবাইত গোপনে মন্দিরটি পুরান ঢাকার ইসলাম নামে এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় এবং মন্দিরটি বিক্রি করে সেই সেবাইত মন্দির বিক্রির টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় ভারতে। যখন মন্দিরটি ভেঙ্গে বাড়ী করার জন্য মন্দিরে লোকজন পাঠায় সেই ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ইসলাম তখনই মন্দিরের ভাড়াটিয়া সহ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায় ও হিন্দু বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন এগিয়ে আসে এবং ঢাকাস্থ জেলা প্রশাসকের নিকট জানানো হয় এবং তার সমাধান করে মন্দিরের অন্যান্য সেবাইত ও এলাকার জনগণ ইস্কনের নিকট দায়িত্ব ভার দিয়ে একটি মন্দির পরিচালনার জন্য চুক্তিপত্র করে দেন মন্দির কমিটির সেবাইতগণ। ভবিষ্যতে যেন আর কোন লোক এ মন্দিরটিতে হাত দিতে না পারে। ইস্কন-কে দায়িত্ব দেয়া হয় দেখাশুনো ও পূজা-অর্চনা করার জন্য। কিন্তু মন্দিরের ভিতরের ভাড়াটিয়াদের উঠানোর জন্য বলা হয়নি।

ইস্কন শুধু মন্দিরের পরিচালনায় থাকবে পূজা-অর্চনা করবে। কিন্তু ইস্কন তা না করে ভাড়াটিয়াদের সহিত খারাপ আচরণ করতে থাকে, ভাড়াটিয়াদের গ্যাস লাইন, কেটে দেয়, বিদ্যুৎ লাইন কেটে দিচ্ছে এবং হুমকি-ধমকি দিচ্ছে মন্দিরের ভাড়াটিয়ারা মন্দির হতে উঠে যাওয়ার জন্য।  ভাড়াটিয়াগণ বলছে যে ওরা ৭০/৮০ বৎসর যাবত এই মন্দির সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছে ওরা যাবে কোথায়। ওরা তো অসহায় গরীব।

জানা গেছে উক্ত মন্দিরে আরো অনেক ঘটনা ঘটে গেছে ইস্কনের দীক্ষিত অমানী গৌর দাস নাকি মন্দিরের ভাড়াটিয়া সুজন ঘোষ এর স্ত্রীর দিকে কূদৃষ্টি দেওয়ায় মন্দিরের ভাড়াটিয়াগণ হাতেনামে ধরে ফেলে এবং মন্দিরের ভাড়াটিয়াগণ ঝাড়– ও জুতা মেরে মন্দির থেকে বের করে দেয়। তারপর ২২২ নং মন্দিরটিতে  তাকে আর দেখা যায় নাই।  তারপর একদিন রাত ৩টার সময় মন্দিরের ভাড়াটিয়াদের ছাদে গাছ কাটতে উঠে এবং বাড়ি লোকজন দেখে ফেলাতে আর গাছ কাটতে সাহস পায় নাই। এবং আরও কথা জানা গেছে যে মন্দিরের ভিতের যখন মেয়ে বা মহিলা স্নান করে তখন ইসকনের পুরুষ লোকেরা নাকি মহিলাদের দিকে লুচ্চার মতো তাকিয়ে থাকে। মহিলারা তাতে লজ্জাবোধ করে সরে যায়।

সেই যাই হোক আমাদের দি নিউজ পত্রিকার অফিসে এসে উক্ত মন্দিরের ভাড়াটিয়ারা কান্নাকাটি করে বলেছেন যে, তারা যাবে কোথায়? তারা তো অসহায় গরীব। আর তাদের কথা বাংলাদেশে কি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ব্রিটিশ বাহিনীর মতো রাজত্ব কায়েম করবে এই ইসকন। কি উদ্দেশ্য ইস্কনের? ইস্কন ভবিষ্যতে কি করতে চাইছে।

১৯৭১ সনে পাকিস্তানী জামায়াতী নেতারা যে আমাদের বাংলাদেশে যে ভূমিকা রেখেছিল সেই সব কাণ্ড কি ইস্কন করবে? নাকি ব্রিটিশ বাহিনী যা করেছিল তাই করবে? নাকি এদেশের হিন্দু-মুসলমানদের ঐক্য নষ্ট করবে? এদিকে সকলের সচেতন হওয়া দরকার এবং সরকারের দৃষ্টি খুবই প্রয়োজন। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আমাদের দেশের সম্পদ একটুও বিনষ্ট হতে দেব না; এই ভাবনাটাই সবাইর ভিতরে রাখতে হবে। আমরা হিন্দু-মসুলমান ঐক্য থাকলে কোন শক্তিই আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আমাদের সম্পদ আমরা রক্ষা করবোই।

সুত্র

নিউজটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন

Leave a Reply

x

Check Also

যারা মাথায় ঘোমটা দেয়, টুপি পরে, দাড়ি রাখে তারা আর যাই হোক বাঙালী হতে পারেনা: মিতা হক

যারা মাথায় ঘোমটা দেয়, টুপি পরে, দাড়ি রাখে তারা আর যাই হোক বাঙালী হতে পারেনা: মিতা হক

যেসব নারী ঘোমটা যারা করে, মুখ ও মাথা ঢেকে রাখে এবং যেসব পুরুষ দাড়ি রেখে ...

loading...