Breaking News
Home / সকল খবর / শোলাকিয়া যে কারণে ধলা-কিয়া!!!
loading...

শোলাকিয়া যে কারণে ধলা-কিয়া!!!

তাজউদ্দীন: শাহবাগী নাস্তিক ও বাম-আওয়ামীলীগের পেইড ফতোয়াজীবী কথিত মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ এবার ঈদে সবচে আলোচিত- সমালোচিত ব্যক্তিত্ব। কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার ঈদ জামাত বাংলাদেশের তথা উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত। লাখ লাখ মানুষ শোলাকিয়ার ঈদগাহে উপস্থিত হতো। সেই ঈদ জামাতে এবার উপস্থিত মুসুল্লির সংখ্যা মাত্র শ’খানেক। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মিলে দেড়শোর মতো।

শোলাকিয়ার ঈদগাহটি একটি ঐতিহাসিক ময়দান। কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্ নরসুন্দা নদীর তীরে এর অবস্থান।

বাংলাদেশে মুসুল্লির সংখ্যার দিক থেকে এ যাবৎ কালের সর্ববৃহৎ এই ঈদ জামাত কেন এরকম শূন্য সে হিসেব কষছেন সাধারণ জনগণ।

স্থানীয় মুসুল্লিরা বলছেন, ফরিদ উদ্দীন মাসউদের বিতর্কিত ফতোয়া ও নাস্তিক্যবাদের কারনেই এবার এই মাঠে মুসুল্লিরা নামায পড়েনি। ফরিদ উদ্দীন মাসউদ নাস্তিক এবং সরকারের ভাড়াটে আলেম। তিনি নাস্তিক রাজিব ওরফে তথ্যবাবার জানাযা পড়িয়েছেন। গণজাগরণ মঞ্চে গিয়ে নাচ, গান আর মদখোর নাস্তিকদের সাথে একাত্মতা পোষণ করেছেন। সরকারের ভাড়াটে আলেম হয়ে অনৈসলামিক ফতোয়া দিয়ে যাচ্ছেন। সে কারনেই মুসুল্লিরা ফরিদ উদ্দীন মাসউদের ইমামতিতে নামায পড়া থেকে বিরত থেকেছেন। এরমধ্যদিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা নাস্তিক ও সরকারি পেইড আলেম ফরিদ উদ্দীনকে নীরব প্রত্যাখ্যান করলো বলে জানান তারা।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত রাখার পরও মুসুল্লিরা নামায পড়তে আসেননি। গত ঈদে বোমা হামলার কারণে নিরাপত্তা আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিলেও মুসুল্লিরা ঈদগাহে আসেননি।

loading...

ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়ার ঈদগাহে মুসুল্লির সংখ্যা দেড়শো বা শ’খানেক এরকম সংবাদ জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশের পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাস্তার চায়ের আড্ডা থেকে স্যোসাল মিডিয়ার আড্ডাতেও। অধিকাংশ জনগণই মনে করছেন, ফরিদ উদ্দীন মাসউদ সরকারের তাবেদারি করার কারনে মুসুল্লিরা তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন।

প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে সরকার দলীয় মুসুল্লিরা কেন তার পিছনে নামায পড়লেন না? অনলাইন এক্টিভিস্টদের মতে, সরকারের জোটের মুসুল্লিরাও চায়নি তাদের ঈদের নামাযটা অন্তত বাতিল বা নষ্ট হয়ে যাক। সরকার পক্ষের মুসুল্লিরাও জানে যে মাসউদের পিছনে নামায হবে না।

শোলাকিয়ার জমিদানকারী (ওয়াকফ) পরিবারের একজন সদস্য জানান, মাসউদ সাহেব সরকারের ক্ষমতা দেখিয়ে বিতর্কিতভাবে ইমামতির দায়িত্ব নিয়েছেন। তার প্রতি মুসুল্লিদের আস্থা ও বিশ্বাস নেই। আর সে কারনেই দেশের সুনামখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী এ যাবৎ কালের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাতে মাত্র শ’খানেক মুসুল্লি অংশগ্রহণ করেছেন। এরমধ্যদিয়ে মুসুল্লিরা ইমাম মাসউদকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। অবিলম্বে মাসউদ সাহেবের ইমামতি ছেড়ে এ দায়িত্ব থেকে অবসর নেয়া উচিৎ।

অনলাইন এক্টিভিস্টদের মতে, শোলাকিয়ার ঈদগাহে মাত্র শ’খানেক মুসুল্লি উপস্থিত হওয়ার মধ্যদিয়ে প্রমাণ হয়ে গেল যে, এ সরকার কতটা অজনপ্রিয় ও গণবিচ্ছিন্ন। সরকারের পক্ষে ফতোয়া দেয়ার কারনে তার পিছনে কোন মুসুল্লি নামায পড়তে আসেননি। এ শূন্য ঈদগাহের চিত্রটি প্রমাণ করে যে, সরকারের তাবিদারে করলে সরকার দলের লোকেরাও বিশ্বাস করে না। ইসলামের সাথে এ সরকারের যে কোন সম্পর্ক নেই। সরকারি আলেমকে মুসুল্লিরা আলেম মনে করেন না। দলীয় ফতোয়াজীবী মনে করেন।

সূত্রঃ নিউজবিডি৭

loading...

Check Also

আওয়ামীলীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান

আওয়ামীলীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান

আওয়ামীলীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। শক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলা বিএনপির কাযার্লয়ে …

Leave a Reply