ব্রেকিংঃ
Home / সকল খবর / জামায়াত নিষিদ্ধে রহস্যজনক ভূমিকায় সরকার

জামায়াত নিষিদ্ধে রহস্যজনক ভূমিকায় সরকার

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী সংগঠন হিসেবে জমায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধে এখন রহস্যজনক ভূমিকায় সরকার। কোন প্রক্রিয়ায় জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে চায় তাও পরিষ্কার বলছে না সরকার।

সূত্রমতে, সরকার কয়েক বছর ধরে বলছে, জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা করা হচ্ছে। কবে নাগাদ করা হবে, তার কোনও সুনির্দিষ্ট সময়সীমা জানাচ্ছে না সরকার। তবে, জামায়াত নিষিদ্ধে সরকার সময়ক্ষেপণ করছে। জামায়াত নিষিদ্ধ করতে হলে শুধুমাত্র সরকারের সদিচ্ছার প্রয়োজন রয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, জামায়াত নিষিদ্ধ করলে তেমন ঝামেলার কিছু নেই এবং জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে নতুন আইন বা আইন যুগোপযোগী করার কোনটাই লাগবে না। ৭১ গণহত্যার অপরাধে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে অথবা আমাদের সংবিধানেই তাদের বিচারের এখতিয়ার দেওয়া আছে। কেন যে আইনের কথা বারবার বলা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে কালক্ষেপণ ও টালবাহনা করে চলেছে। কারণ দলটির নীতিনির্ধারকরা মনে করেন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করলে বিএনপির বাক্সে সব ভোট জমা হবে।

অন্যদিকে, জামায়াত-শিবিরের নিচুস্তরের কর্মী সমর্থকদের আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক বলয়ে হজম করে নিতে আরও সময় লাগবে। আর জামায়াত নতুন নাম ধারণ করে দাঁড়ালে পরে যাতে পুরো দলটি বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়তে না পারে তারও একটি বিবেচনা আওয়ামী লীগের রয়েছে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে আত্মঘাতি খেলা খেলছে। এতে শেষ পর্যন্ত জামায়াতেরই লাভ হবে।

উল্লেখ্য, জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে গত শুক্রবার জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বাংলা অনলাইনকে বলেন, ‘জামায়াত নিষিদ্ধের আইন প্রণয়ন নিয়ে কাজ চলছে। শিগগিরই স্বাধীনতাবিরোধীদের সংগঠন হিসেবে জামায়াতকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের একটি বিষয় চাইলেই দ্রুত করে ফেলা সম্ভব নয়। আমরা তাড়াহুড়ো করে কোনও কাজ করছি না। আমরা চাই নির্ভুল কাজ করতে। এ জন্য সময় কিছু গেলেও আমরা চিন্তিত নই। আমরা জানি, আমরা এ কাজ করব।’

নিউজটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন

Leave a Reply

x

Check Also

যারা মাথায় ঘোমটা দেয়, টুপি পরে, দাড়ি রাখে তারা আর যাই হোক বাঙালী হতে পারেনা: মিতা হক

যারা মাথায় ঘোমটা দেয়, টুপি পরে, দাড়ি রাখে তারা আর যাই হোক বাঙালী হতে পারেনা: মিতা হক

যেসব নারী ঘোমটা যারা করে, মুখ ও মাথা ঢেকে রাখে এবং যেসব পুরুষ দাড়ি রেখে ...

loading...